মোঃইব্রাহীম প্রতিবেদন:
সিদ্ধিরগঞ্জে শামীম ওসমানের প্রধান সহযোগী সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে ইয়াবা রনি বৈষম্য ছাত্র আন্দোলন ছাত্রদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছে। সিদ্ধিগঞ্জ ৬ নং ওয়ার্ডে বার্মাসি এলাকায় ও আদমজী বিহারী ক্যাম্প এলাকায় সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে ইয়াবা রনি আওয়ামী লীগের পতনের পর নব্য বিএনপি নেতা সেজে মাদকের আস্তানাও ফের চালুর পাঁয়তারা করছিল।
এই সন্ত্রাসীর অপরাধ কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ ছিল স্থানীয় এলাকাবাসী পুরো গোদনাইল ৬ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী।
গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুথানে স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসী,চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ চালিয়ে আসছিল সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে ইয়াবা রনি।
তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যাকান্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত একাধিক মামলায় সম্প্রৃক্ততা সহ সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, মাদক, চাঁদাবাজী, ছিনতাই, জমি দখল, মারামারি, লুটতরাজের ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে।
সিদ্ধিরগঞ্জের ০৬ নং ওয়ার্ডে গোদনাইল বার্মাসী এলাকার বাসিন্দা কাদির ওরফে চোর কাদির এর পুত্র সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে ইয়াবা রনি।
বৈষম্য ছাত্র বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৯ জুলাই দুপুর ২:৩০ মিনিটে সাইনবোর্ড এলাকার প্রো এ্যকটিভ হাসপাতালের সামনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার সরকার হাসিনার দোষর এম পি শামীম ওসমানের নেতৃত্বে অভিযুক্ত রনি, সাবেক কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি, হাজী ইয়াসিন সহ ২০০ থেকে ৩০০ জন মিলে ছাত্র জনতার আন্দোলন দমন করতে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়ে থাকে। এ সময় মোঃ আরিফ মিয়ার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা করলে ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে রাস্তার উপর লুটিয়ে পড়ে।
সেই সময় মৃত ভেবে আরিফ মিয়াকে রাস্তার উপরে ফেলে চলে আসে আসামীরা। এ সময় আরিফ মিয়া তার পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। এই ঘটনায় ভুঁক্তভোগী আরিফ মিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলা আমলে নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ আসামি সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে ইয়াবা রনিকে গ্রেপ্তার করে কোর্টে প্রেরণ করে।
সরজমিনে জানা যায় সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে রনি প্রচুর উশৃংখল জীবন যাপন করতেন।
নারায়ণগঞ্জ ৬ নং ওয়ার্ডে গোদনাইল বার্মাশি এলাকায় কুখ্যাত রনি এক বিশাল মাদকের সাম্রাজ্য খোলে। স্থানীয় তরুণ যুব সমাজদের ধ্বংসের মূল কারণে সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে রনি মাদক ব্যবসা মাদক সেবন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সে নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন অসহায় মানুষদের জন্য কুখ্যাত রনি এক মূর্তিমান আতঙ্ক ছিলেন। স্থানীয় এলাকাবাসী সাব্বির হোসেন স্বপন ওরফে রনি গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের ভিতরে স্বস্তি ফিরে আসে।