স্টাফ রিপোর্টারঃ
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের তিন ফসলি জমির মাটি কেটে ইটভাটায় বিক্রি করায় বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীর আঘাতে বিএনপি নেতাসহ ১০জন আহত হয় এবং এ ঘটনায় মুছাপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি জাহিদ হাসান পাপ্পু বাদী হয়ে আমানউল্লাহ, বাহাউদ্দীন, আহাদ আলী, সোহান, লাভলী ও মিজান প্রধানকে আসামী করে বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২, বাৎসরিক নাম্বার ৩৭৭, তারিখ: ০১-১২-২৪ইং। উক্ত মামলার ২ নাম্বার আসামী ভূমিদস্যু বাহাউদ্দিন মঙ্গলবার সকালে নারায়ণগঞ্জ আদালতে জামিনের আবেদন জানালে যাচাই বাছাই শেষে বিজ্ঞ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করার নির্দেশনা দেন। বাহাউদ্দিন মুছাপুর ইউনিয়নের বাঙ্গালবাড়ির তমিজ উদ্দিনের ছেলে। ১লা ডিসেম্বর উপজেলার পিচকামতাল এলাকার জহিদ্দার বিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তারা মিয়া জানান, আমান উল্লাহর সেচ কাজে বাধা দেয় এলাকাবাসী। তবে গ্রামবাসীকে সমর্থন জানিয়ে তাদের সঙ্গে সমর্থন জানান মুছাপুর ও ধামগড় ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে অত্র এলাকার তিন ফসলী মাটি কেটে ইট ভাটায় বিক্রি করে আওয়ামী লীগ নেতা আমান উল্লাহ সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী। এবার যেনো মাটি কাটতে না পারে সেজন্য পুলিশ নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বাধা দেন। তখন আমান উল্লাহর বাহিনীর সন্ত্রাসী মুছাপুর ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা বাহাউদ্দীন পুলিশের সামনেই তাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় পাশের পুকুরে লাফ দিয়ে তিনি প্রাণে রক্ষা পান। আর তখনই এলাকাবাসীর সাথে আমানউল্লার সন্ত্রাসী বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষের ঘটনায় সভাপতি তারা মিয়া, জাহিদ খন্দকার ও জাহিদ হাসান পাপ্পুসহ ১০ জন আহত হন। এ মামলার বাদী জাহিদ হাসান পাপ্পু বলেন, ভূমিদস্যু বাহাউদ্দিনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণ করায় মহামান্য আদালতকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা আইনের সুশাসন চাই এবং এ মামলার বাকি আসামীদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।