স্টাফ রিপোর্টারঃ
বন্দরের (নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের) ২৭নং ওয়ার্ডের ফুলহরে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় যুবলীগ ও জাতীয় পার্টি নেতা এবং তাদের সাঙ্গ পাঙ্গদের পরিকল্পিত হামলায় ২ ছাত্রদল নেতা আহত হয়েছে। আহত এস এম আপেল মারুফ ২৭নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ও বিল্লাল হোসেন ২৭নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য এবং উভয়ে ২৭নং ওয়ার্ডের ফুলহরের বাসিন্দা। এ ঘটনায় সোমবার রাতে আহত এস এম আপেল মারুফের মা মোসাঃ মাবিয়া আক্তার বাদী হয়ে ১. যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুজ্জামান ওহিদ, পিতা-মৃত হানিফ মিয়া, ২. আমজাদ হোসেন, পিতা- আঃ জাব্বার, ৩. জাতীয় পার্টি নেতা মিজানুর রহমান, পিতা-মৃত সোনা মিয়া, ৪. আবির, ৫. চঞ্চল উভয় পিতা-মিজানুর রহমান, ৬. ইয়াছিন, পিতা-মিজান, সর্ব সাং-ফুলহর, ৭. নোমান, পিতা-মৃত সেলিম, সাং-ললাটি (কাঁচপুর), থানা-সোনারগাঁও, ৮. আল আমিন, পিতা-অহিদ, সাং-ফুলহর, ৯. বদু পিতা-মৃত তোতা মিয়া, সাং- কাজিরগাঁও, থানা-সোনারগাঁ সহ অজ্ঞাতনামা ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ঘটনার বিবরণে বাদী মাবিয়া আক্তার জানান, বিবাদীদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে সোমবার সন্ধ্যায় ফুলহরে আমজাদের বাড়ীর সামনে দিয়ে আপেল ও বিল্লাল বাসায় আসার পথে ১নং বিবাদী অহিদের হুকুমে সকল বিবাদীগণ দেশীয় ধারালো অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আপেল ও বিল্লালের উপর হামলা চালায় এবং পিটিয়ে ও কুপিয়ে দুজনকে গুরুতর জখম করে। পরে তাদের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়কে উদ্ধার করে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। আইনের সঠিক বিচার পেতে আমি বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্তে নেমেছেন বন্দর থানা পুলিশ।