বিশেষ প্রতিবেদকঃ
সোনারগাঁ থানার নোয়াগাঁয়ের জাতীয় পার্টি নেতা মোকবেলের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতীষ্ঠ হয়ে দিনাতিপাত করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্রমতে, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক এমপি লিয়াকত হোসেন খোকার একজন আস্থাভাজন কর্মী হিসেবে মোকবেল স্থানীয় নিরীহ বিভিন্ন মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন চালিয়েছে। সে এমপি খোকার হাত ধরে নোয়াগাঁও ইউনিয়ন যুব সংহতির সহ-সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। মোকবেল অত্র ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, বিগত সরকারের আমলে মাদক ব্যবসা, জমি দখল, ভূমিদস্যুতা সহ বিএনপি নেতাদের নামে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীরা পালিয়ে বেড়ালেও মোকবেল বীরদর্পে অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ভূক্তভোগীরা জানান, প্রতারক মোকবেল বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যাংকের লোন দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে জমির দলিল ও খারিজের কাগজ নিয়ে থাকে এবং প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০-২০ হাজার টাকা কমিশন নিয়ে উধাও হয়ে যায়। পরবর্তীতে দলিল ও কাগজপত্র ফেরত না দিয়ে নিরিহ ব্যক্তিদের হয়রানী করে থাকে। মোকবেল ও তার সহযোগি মাদক ব্যবসায়ী খোকন মাদক বিক্রয় করে যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে এবং তাদের কাছ থেকে মাদক কেনার টাকা যোগাড় করতে না পেরে কিছুদিন আগে নোয়াগাঁয়ের গোবিন্দপুরে পুত্রের হাতে পিতা খুন হয়। নিজের সবজি বাগানের গাছ কেটে নিরিহ জনসাধারণকে মামলা দিয়ে হয়রানীর প্রচেষ্টা চালিয়েছে মোকবেল। সে এখনো বেপরোয়া হয়ে নানাবিধ অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন ভূক্তভোগীরা।