বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেছেন, "অনেকদিন পর নারায়ণগঞ্জে মুক্ত ও স্বাধীনভাবে জেলা বিএনপি সভার আয়োজন করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতি যখন দিশেহারা ছিল, তখন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিলেন।"
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকালে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় নবাব সলিমুল্লাহ সড়কের উপর অস্থায়ী মঞ্চে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা ও ফ্যাসিবাদ মোকাবিলার দাবিতে দেশব্যাপী বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জনসমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই জনসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহম্মেদ টিুট, কেন্দ্রীয় সহ অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, সোনারগাঁ বিএনপির সভাপতি ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, রেজাউল করিম, কাজী মনিরুজ্জামান, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ খান টিপু, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক সাদেকুর রহমান সাদেক, সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি প্রমুখ।
তিনি আরও বলেন, "২০২৪ সালে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। তবে এই বিজয়ের সাথে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের তুলনা হতে পারে না। বিএনপি সবসময় দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছে এবং এখনও করছে।"
গিয়াসউদ্দিন বলেন, "অল্প ১ মাসের আন্দোলনে স্বৈরাচারের পতন হয়নি। যখন আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় এবং সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নামে, তখনই স্বৈরাচার প্রাণভয়ে পালিয়ে যায়।"
তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা জনসমর্থিত সরকার হতে পারেন, কিন্তু নির্বাচিত সরকার নন। স্বৈরশাসনের সময় যারা অত্যাচার, লুটপাট ও অর্থ পাচার করেছে, তাদের বিচার করতে হবে। এই বিচার নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে প্রশাসন বা রাজনৈতিক নেতাকর্মী