

বিশেষ প্রতিবেদক
পুলিশ পরিদর্শক নিঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম ইনচার্জ ডেমরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি, ডেমরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির জিডি নং-৪২, তারিখ-০২/০৮/২০২৬খ্রিঃ মূলে সঙ্গীয় এসআই(নিঃ) জারফান আলী, নায়েক/২৪৪ সাইফ উদ্দিন, কং/৩৭১ মোঃ আরিফুল ইসলাম, বিপি- ৯৬১৬১৮৪৩৭৭ কং/৭৩৯ জাকারিয়া, বিপি-৯৭১৬২৯৮২৩০; কং/১২৫৯ সুজন কান্তি দে,বিপি-৯১১১১২৮২৪৯সহ শীতলক্ষ্যা ও বালু নদীতে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ডিউটিতে সারুলিয়া বাজার ঘাটে অবস্থান করাকলে একই তারিখ ২১:৫০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন যে, ডেমরা থানাধীন সুলতানা কামাল ব্রীজের অনুমান ২০০ মিটার উত্তর দিকে বাওয়ানী জুট মিলের পূর্ব পার্শ্বে বালু নদী হতে কতিপয় ব্যক্তি অবৈধভাবে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে ২২:২০ ঘটিকায় হাজির হন। উক্ত সময় ধৃত আসামীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সের সহায়তায় উল্লিখিত আসামীদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হন এবং ঘটনাস্থল হতে উপস্থিত সাক্ষী দের সম্মুখে ১। ০১(এক)টি বালুবাহী বাল্কহেড (যার গায়ে এমবি আব্দুর রহমান-২ লেখা আছে, যার দৈর্ঘ্য অনুমান ২৯.১৫ মিটার, প্রস্থ অনুমান ০৭.২০ মিটার, গভীরতা অনুমান ০২.১৫ মিটার) ২। ০২(দুই)টি এস্কেভেটর (ভেকু) (০১টির গায়ে ইংরেজীতে HITACHI WJ 15 এবং অপরটির গায়ে ইংরেজীতে CAT 320L লেখা আছে) ৩। ০২(দুই)টি বার্জ (পন্টুন) (০১ টির গায়ে ডিবি ধলা পাহাড়, ডি-৯৯৭০ লেখা আছে যার দৈর্ঘ্য অনুমান ১০৫ফিট, প্রস্থ অনুমান ২৯ ফিট এবং অপরটির গায়ে ডিবি আলফা-১, ডিবি ২৬৪৫৮ লেখা আছে, যার দৈর্ঘ্য অনুমান- ৭৭.৫ ফিট, প্রস্থ অনুমান ৩৪ ফিট) হেফাজতে নেই। উল্লিখিত আলামত 02/08/2026খ্রি. তারিখ ২৩:৫৫ ঘটিকায় পর্যাপ্ত আলোয় জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে সাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণপূর্বক জব্দ করেন। ধৃত আসামীদেরকে নদী হতে মাটি কাটার বিষয়ে জিজ্ঞাসবাদ করলে তারা উক্ত বিষয়ে কোন সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন জানায় যে, বর্ণিত আসামীগণ জব্দকৃত আলামত অপব্যবহার করে অবৈধভাবে মাটি কাটার মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী এলাকার ভূপ্রকৃতি ও পরিবেশকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছেন এবং নদীর পাড় মারাত্মকভাবে ধ্বংস করছেন। এমতাবস্থায় বর্ণিত ধৃত আসামীগণ জব্দকৃত আলামত অপব্যবহার করে সরকারের অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে মাটি কাটার মাধ্যমে নদীর তীরবর্তী এলাকার ভূপ্রকৃতি ও পরিবেশকে চরম হুমকির মুখে ঠেলে দিয়ে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ১৫(১) ধারার অপরাধ করেছে।আসামীদের নাম ও ঠিকানা ১। সুকানী শফিকুল ইসলাম(৩৮), পিতা- মৃত হাবিবুর রহমান, মাতা- মৃত চন্দ্রবানু, সাং- কুরিবুনিয়া, থানা- নেছারাবাদ, জেলা- পিরোজপুর ২। মিস্ত্রি মোঃ সোলায়মান (২৮), পিতা- ইউনুছ বেপারী, মাতা-মিনারা বেগম, সাং-কুরাচিনা, থানা- বাকেরগঞ্জ, জেলা- বরিশাল, ৩। রুহুল আমীন (২২), পিতা- শামসুল হক, মাতা- লুৎফা বেগম, সাং- উত্তর পাঙ্গাসিয়া, থানা- দুমকী, জেলা- পটুয়াখালী এবং ৪। ইসমাইল হোসেন (৩০), পিতা- সাহেদ আলী, মাতা- মিনারা বেগম, সাং- রায়ভোগ, থানা-সদর, জেলা- বরগুনা