আমাদের স্বাধীন দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক, সোনারগাঁ:
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে ৩১ আগস্ট ২০২৬ যোগদানের পর থেকেই স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন ডাঃ রাসেল আহমেদ ভূঁইয়া।
দায়িত্ব গ্রহণের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা, রোগীদের সেবার মান উন্নত করা এবং স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে সেবার পরিবেশ আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবাকে শুধু হাসপাতালকেন্দ্রিক না রেখে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন সেমিনার, মতবিনিময় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসব কার্যক্রমে স্বাস্থ্য, রোগ প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি, মা ও শিশুস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের আস্থা ও সন্তুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, তাদের সমস্যার কথা শোনা এবং সেবার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সোনারগাঁওয়ে মা ও শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, ইপিআই, পুষ্টি শিক্ষা এবং বাড়ি পরিদর্শনের মাধ্যমে বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার সরকারি ব্যবস্থা রয়েছে।
সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর আগেও স্বাস্থ্যসচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেমন ২০২৬ সালের বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে র্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়েও ডাঃরাসেল আহমেদ ভূঁইয়া গণমাধ্যমে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, আনসার সদস্য মোতায়েনের পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের তুলনায় জোরদার হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ডাঃরাসেল আহমেদ ভূঁইয়ার নেতৃত্বে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার পরিবেশ আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ সহজে, সুন্দর পরিবেশে ও আন্তরিকতার সঙ্গে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।