আমাদের স্বাধীন দেশ
বন্দর প্রতিনিধিঃ
বন্দরে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে না পেয়ে সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম সহ বাড়িঘর লুট-থানায় অভিযোগ। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় মোঃ ইকবাল হোসেন (৫৫), পিতা- মোঃ আজিজুল হক, মাতা- মৃত ছানোয়ারা বেগম, সাং ফুলহর, নাসিক ২৭নং ওয়ার্ড, মদনপুর, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ এর নিকট বিবাদী (১) মোঃ হৃদয় (২৮) পিতা-মোঃ জয় মিয়া (২) মোঃ জয় মিয়া (৫৮) পিতা-মোঃ জজ মিয়া, উভয় সাং- ফুলহর, নাসিক ২৭নং ওয়ার্ড, ডাকঘর- মদনপুর, থানা- বন্দর, জেলা-নারায়নগঞ্জসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন। তারা একই গ্রামের বাসিন্দা। বিবাদীগন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী। বিবাদীগন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে। বিবাদীদের মাদক ক্রয়-বিক্রয় কাজে বাধা প্রদান করায় বিবাদীগন পূর্ব হইতে বাদীকে হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছিল। ইং ২৮/০৩/২৫ তারিখ দুপুর অনুমান ০২.৩০ ঘটিকার সময় বাদী বাসা হইতে বাহির হইয়া মদনপুর স্ট্যান্ডে যাওয়ার পথে বন্দর থানাধীন ফুলহর সাকিনস্থ তার বসত বাড়ী সংলগ্ন সাইফুলের বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌছামাত্র বিবাদীগন সহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা তাদের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হইয়া চলার পথ গতিরোধ করিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে বেদমভাবে মারপিট করে। ২নং বিবাদীর হুকুমে ১নং বিবাদী তার হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে বাদীর মাথার পিছনের অংশে কোপ মারিয়া গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। বাদী তখন মাটিতে পড়ে গেলে ২নং বিবাদীসহ তার সহযোগী অজ্ঞাতনামা বিবাদীগন তাদের নিকট থাকা লোহার রড ও এসএস পাইপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করিয়া নীলাফুলা জখম করে। বাদী ইকবাল হোসেন দৌড়ে তাহার বসত বাড়ীতে প্রবেশ করিয়া বাড়ীর গেইট বন্ধ করিয়া দেয়। বিবাদীগন বাদীর পিছুপিছু আসিয়া তাহার বসত বাড়ীর লোহার গেইট ভাংচুর করিয়া আনুমানিক ৫,০০০/- টাকার ক্ষতি সাধন করে। তাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীগন বাদীকল সহ তাহার পরিবারের লোকজনদের প্রকাশ্যে খুন-জখমের হুমকি প্রদান করিয়া পালিয়ে যায়। পরিবারের লোকজন বাদীকে জখমী অবস্থায় উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য বন্দর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার অবস্থা খারাপ দেখিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। বাদীর পরিবারের লোকজন তাহাকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।
এ বিষয়ে বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি)মোঃ গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাদীর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।