আমাদের স্বাধীন দেশ
বিশেষ প্রতিবেদন :
মাদককে না বলুন । এই স্লোগানের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছে সরকার। গোপনসূত্রে জানা গেছে , নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জে মৈকুলী প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন রোড ঘেষে গড়ে ওঠেছে মাদক সম্রাট আলী আজগরের সামাজ্র। আর এই সামাজ্র টিকিয়ে রাখতে রয়েছে রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের ছত্র ছায়া । গোপন তথ্যের ভিত্তিতে, মাদকের সাথে ছত্রছায়ায় কারা কারা জড়িত এই বিষয়ে জানতে আমরা তারাব পৌর ৫ নং ওয়ার্ড মহিলা দল নেত্রী নাছিমা প্রধানের কাছে এই মাদক কারবারীদের বিষয়ে জানতে চাইলাম , গোপনসূত্রে তথ্যের ভিত্তিতে সেও এই মাদককারবারীদের সাথে জড়িত আছে বলে একটি সূত্রে জানা যায় ,কিন্তু নাছিমা প্রধান এ ধরণের কাজের সাথে জড়িত নয় বলে জানান। আমরা সমাপ্ত রাখলাম নাছিমা প্রধান এই মাদক কারবারীদের কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নয় তার বক্তবের ধারাবাহিকতায় । নাছিমা প্রধানের কাছে জানতে চাইলাম,কারা কারা এই মাদকের সাথে জড়িত । নাছিমা প্রধান আমাকে জানাল , তাদের আত্মীয় স্বজনদের বিভিন্ন সদস্যদের কথা যারা বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত তারা এই মাদককারবারীদের সেল্টারদাতা তারাব পৌর বিএনপির সহ – সভাপতি ফিরোজ প্রধান মাদক সম্রাট আলী আজগরের ভাই । তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান । মাদকের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে কেন তার বোন নাসিমা প্রধানের নিকট তথ্য জানতে চাইলাম এই বিষয়টি নিয়ে তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান মাদক সম্রাট আলী আজগরের ভাই ।আমাকে হুমকি প্রদান করে।আমি মাহাবুব হাওলাদার একজন গণমাধ্যমকর্মী । আমাকে রাস্তার যাতায়াত পথে ডেকে নিয়ে প্রায় দু ঘন্টা আটক করে রাখে । কারণ কেন মাদকের বিষয়ে তথ্য জানতে চাইলাম । মাদকের বিষয়ে তথ্য কেন জানতে চাইলাম তার জবাবদিহিতা তারাব পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধানের কাছে না করে এক পা যেতে পারবো না বলে হুমকি প্রদান করেন । তারাব পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান আরো বলেন, তোর থেকে বড় বড় সাংবাদিক পরে রয়েছে তারাই তো এত বাল ফালায় না । তুই কী এমন বাল হৈয়া গেছোত। তোর এই মাদকের বিষয়ে বিষয়ে এনালাইসিস করতে হৈবো । এখন এই মূহুর্তে যদি না বলিস কার কথায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলি এখন তোকে এইখানে ফেলে পিটাবো দেখবো তোকে তোর কোন বাপ ধরে । সব বিষয়ে পাকনামি করোছ তোকে এখন এইখানে বাধমু । ফজলুল হক প্রধানকে আরেকটি চক্র তাদের অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে ব্যবহার করছে বলে গোপনসূত্রে জানা যায় , চক্রের উদ্দেশ্য হত্যা ,গুম,খুন, অপহরণ এবং ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে হয়রানি করা । চক্রটি দীর্ঘদিন যাবত তাদের অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের প্রচেস্টায় মরিয়া । তারাবো পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান যদি রাজনীতির সাথে জড়িত থাকে । তাহলে ধারণা করা হচ্ছে ,তাদের এই রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই থানায় অভিযোগ কিংবা মামলা হোওয়ার পরেও মাদক সম্রাট আলী আজগর প্রধান ধরা ছোয়ার বাহিরে । ফজলুল হক প্রধানের মত আরো কোনো রাজনৈতিক ব্যাক্তির মদদে এই মাদকের সামাজ্র চলছে কিনা ? তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব রাজনৈতিক দলগুলোর। এছাড়াও কারো অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে কোন দলের কোন নেতাকর্মী ব্যবহৃত হচ্ছে কি না ? তা দেখার দায়িত্ব প্রতিটি রাজনৈতিক দলের । সচেতন সমাজ মনে করে , এ ধরণের মাদকের সামাজ্র টিকিয়ে রাখার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গদের কিছু অংশের মদদ । গত ০৩/০৪/২০২৬ রোজ বৃহস্পতিবার রাত ১১:৩০ মিনিটে মৈকুলী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে বাসায় আসার পথে ।স্কুলের সামনে ডেকে নিয়ে দাড় করিয়ে রেখে দুই ঘন্টা আক্রমণাত্মক ভংগিতে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হুমকি প্রদান করে তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান । আমি আমাদের এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান সাবেক সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল শাখার স্বেচ্ছাসেবকদলের সহ – সভাপতি আব্দুল হালিম ভূইয়ার ফোন কলের মাধম্যে এই ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে বাসায় চলে আসি । ফজলুল হক প্রধান তারাব পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ছত্র ছায়ায় এ ধরণের ক্ষমতা প্রয়োগ করে । যা একটি দলের বৈশিষ্ট্য বা ভাবমূর্তি নস্ট করে । সাইলেন্ট কিলার নিজাম শিকদারের প্রতিহিংসামূলক অসৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন জন্য নিজের ক্ষমতাকে যার তার উপর প্রোয়েগের প্রচেস্টা চালাচ্ছে ফজলুল হক প্রধান । নিজাম শিকদার তার সাইলেন্ট কিলিং মিশন অস্যৎ উদ্দেশ্য হাসিল করতে আশ্রয় স্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হককে । যিনি মাদক সম্রাট আলী আজগর প্রধানের সেল্টারদাতা । নিজাম শিকদারের পরিবারের সদস্যদের প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের ভরসা হয়ে ওঠেছে তারাবো পৌর শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান । যদি আমার সাথে আমার শিক্ষক শহিদুল মাস্টার একসাথে বাসায় আসার পথে না থাকতেন । হতেও পারতো ফজলুল হক প্রধান আমাকে অপহরণ না হয় মেরে ফেলতে পারতো । তারাব পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধানের সাথেই অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মাস্টার মাইন্ড সাইলেন্ট নিজাম শিকদার । আমাকে বেশ কয়েক বার হত্যাচেস্টা এবং অপহরণের চেস্টা চালায় নিজাম শিকদারের গুপ্তচর বাহিনী । নিজাম শিকদারের মেয়ে নিশাত আফরিন এমিলা সেও তার ব্যাক্তিগত ফেসবুক একাউন্টে জানে মেরে ফেলার হুমকি প্রধান করে । নিজাম শিকদার এবং তার মেয়ে নিশাত আফরীন এমিলা প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনের একটি মহল এবং কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি বর্গদের ব্যবহার করছে । নিজাম শিকদার নিশাত আফরিন এমিলার অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের এই একজন কারিগর আমাদের তারাবো পৌর শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক প্রধান । যিনি আলী আজগরের মাদক সামাজ্রের মহানায়ক । আমার জীবন হুমকির মুখে তারা কখন কোথায় আমাকে হত্যা , অপহরণ, গুম, খুন করে ফেলে তা নিয়ে আমি এবং আমার পরিবার আতংকিত । এছাড়াও দেশের আইন অঙ্গনকে ব্যবহার করে তাদের প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য প্রচেস্টা চালাচ্ছে নিজাম শিকদার এবং তার মেয়ে নিশাত আফরিন এমিলা । আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং প্রশাসনের দৃস্টি আকর্ষণ করছি এই ধরণের অপকর্মকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক । এছাড়াও এই নিজাম এমিলার প্রতিহিংসামূলক অস্যৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গুম,খুন,হত্যা, অপহরণ , মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রচেস্টায় যে চক্রটি মরিয়া হয়ে ওঠেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য সরকার এবং প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি ।